Criex বিশ্বাস করে গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের জন্য, চাপ বা উদ্বেগের জন্য নয়। আমরা চাই আপনি সুস্থভাবে, দায়িত্বের সাথে খেলুন। এই পেজে আপনি জানবেন — দায়িত্বশীল খেলার মূলনীতি, আসক্তির লক্ষণ চেনার উপায়, এবং Criex-এর সব সুরক্ষামূলক টুলস কীভাবে ব্যবহার করবেন।
আমরা বিশ্বাস করি নিরাপদ গেমিং সংস্কৃতি তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব
Criex একটি বিনোদন প্ল্যাটফর্ম। গেমিং কখনো আয়ের প্রধান উৎস হওয়া উচিত নয়। আমরা চাই আপনি খেলুন আনন্দের জন্য, হতাশা কমাতে নয়।
শুধু সেই অর্থ ব্যয় করুন যা হারালেও সংসারে সমস্যা হবে না। জীবনের প্রয়োজনীয় খরচ — খাবার, বাড়িভাড়া, বিল — কখনো গেমিংয়ে ব্যবহার করবেন না।
আগে থেকে ঠিক করুন কতক্ষণ খেলবেন। সময় নির্ধারণ করুন এবং সময় হলে থামুন — জেতুক বা হারুক। Criex-এ সেশন টাইমার সুবিধা আছে।
রাগ, দুঃখ বা হতাশার সময় গেমিং করা ঠিক নয়। তখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয় এবং বেশি অর্থ হারানোর ঝুঁকি থাকে।
হারালে "এবার ফিরে পাব" ভেবে আরও বেশি বেট করা সবচেয়ে বড় ভুল। এই মানসিকতাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়।
গেমিং কখনো পারিবারিক সময়, কাজ বা সামাজিক জীবনকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো সবার আগে।
অনেকে মনে করেন দায়িত্বশীল খেলা মানে খেলা না খেলা — এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। দায়িত্বশীল গেমিং মানে হলো সচেতনভাবে, পরিকল্পিতভাবে এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে বিনোদন উপভোগ করা।
Criex-এ লাখো মানুষ প্রতিদিন গেম খেলেন এবং আনন্দ পান — কোনো সমস্যা ছাড়াই। কারণ তারা জানেন কখন থামতে হয়, কতটুকু ব্যয় করা উচিত এবং গেমিং তাদের জীবনের কোথায় রাখা উচিত।
এটা মনে রাখা সবচেয়ে জরুরি। ক্যাসিনো গেম বা স্পোর্টস বেটিং — এগুলো দীর্ঘমেয়াদে কখনো আয়ের নির্ভরযোগ্য উৎস হয় না। হ্যাঁ, জেতার সুযোগ আছে — কিন্তু হারারও সম্ভাবনা থাকে। তাই এটাকে সিনেমার টিকেট বা রেস্তোরাঁর বিলের মতো ভাবুন — একটা বিনোদন খরচ।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং একটি নতুন বিনোদন মাধ্যম হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। এই পরিবেশে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা আরও জরুরি। Criex তাই শুরু থেকেই এই বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে বিনিয়োগ করে আসছে।
গেমিং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে — কিন্তু এটাই একমাত্র উপায় হওয়া উচিত নয়। বাস্তব জীবনের সমস্যা থেকে পালাতে গেমিং ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি হয়। মানসিক চাপ থাকলে পরিবারের সাথে কথা বলুন, বন্ধুদের সাথে সময় কাটান বা পেশাদার সাহায্য নিন।
আপনি কি কখনো বাজেটের বেশি ব্যয় করেছেন এবং পরে অনুশোচনা করেছেন?
হারানো অর্থ ফিরে পেতে আবার বেশি বেট করার ইচ্ছা কি হয়?
গেমিংয়ের কারণে পরিবার বা কাজের সময় কম দিচ্ছেন?
গেমিং করতে না পারলে অস্থির বা খিটখিটে লাগে?
ঋণ নিয়ে বা ধার করে গেমিংয়ে অর্থ ব্যয় করেছেন?
পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং লুকিয়ে রাখেন?
খেলা থামানোর চেষ্টা করেছেন কিন্তু পারেননি?
মন খারাপ হলে গেমিংয়ে মনোযোগ সরিয়ে নেন?
ঘুম, খাওয়া বা পড়াশোনায় গেমিং বাধা দিচ্ছে?
গেমিং না করতে পারলে মাথায় সারাক্ষণ চিন্তা ঘুরপাক খায়?
দুটি পার্থক্য চিনতে পারলেই আপনি অনেকটা এগিয়ে থাকবেন
মাসের শেষে টাকা নেই, কিন্তু গেমিং চলছে। জরুরি খরচের টাকা গেমিংয়ে ব্যয় হচ্ছে।
হারলে আরও বেশি বেট করেন "এবার জিতব" ভেবে। এই চক্রে একবার পড়লে বের হওয়া কঠিন।
পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং লুকিয়ে রাখছেন। এটা প্রায়ই আসক্তির প্রথম লক্ষণ।
গেম না খেলতে পারলে রাগ, বিরক্তি বা উদ্বেগ অনুভব করেন। এটা আসক্তির স্পষ্ট চিহ্ন।
ঘুম কমছে, কাজে মনোযোগ নেই, পারিবারিক সম্পর্কে সমস্যা — গেমিংয়ের কারণে।
আগে থেকে ঠিক করা আছে কতক্ষণ খেলবেন এবং কত ব্যয় করবেন। এবং সেটা মেনে চলেন।
গেম হারলেও মেজাজ ঠিক থাকে, কারণ এটাকে বিনোদন খরচ হিসেবে দেখেন।
গেমিং কখনো পারিবারিক সময় বা কাজের ক্ষতি করে না। সব কিছুর মধ্যে ভারসাম্য আছে।
জেতার মধ্যেও থামতে পারেন। খেলা না খেললেও কোনো অস্বস্তি নেই।
গেমিং নিয়ে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন।
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — আপনার সুরক্ষার জন্যই তৈরি
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন। সীমা পার হলে আর ডিপোজিট হবে না।
লিমিট সেট করুনপ্রতিটি গেমিং সেশনের সময়সীমা নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে নোটিফিকেশন আসবে এবং সেশন বন্ধ হবে।
টাইমার সেট করুননিজেকে কিছুটা বিরতি দিন — ২৪ ঘণ্টা, ১ সপ্তাহ বা ১ মাসের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখুন।
বিরতি নিনদীর্ঘমেয়াদের জন্য নিজেকে বাদ দিন — ৬ মাস, ১ বছর বা স্থায়ীভাবে। এই সময় অ্যাকাউন্ট পুনরায় খোলা যাবে না।
একজক্লুড করুনআপনার গেমিং ইতিহাস দেখুন — কত ব্যয় করলেন, কত সময় খেললেন। সচেতনতাই সুরক্ষার প্রথম ধাপ।
রিপোর্ট দেখুনযেকোনো সময় সাহায্যের দরকার হলে আমাদের সাপোর্ট টিম আছেন। দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে পরামর্শ নিন।
সাহায্য নিনগেমিং আসক্তি একদিনে তৈরি হয় না। এটা ধীরে ধীরে বাড়ে। নিচের তথ্যগুলো দেখুন এবং বুঝুন আপনি কোথায় আছেন।
সাহায্য চাওয়া সাহসিকতার কাজ — দুর্বলতার নয়
যদি মনে হয় আপনার বা আপনার পরিচিত কেউ গেমিং সমস্যায় পড়েছেন — প্রথম কাজ হলো স্বীকার করা। সমস্যা স্বীকার করতে পারাটাই সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ।
আমাদের বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত সাপোর্ট টিম দায়িত্বশীল গেমিং সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় সাহায্য করতে প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট বা ইমেইলে আমাদের সাথে কথা বলুন — সব কথা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
আপনার কাছের মানুষদের জানান। তারা বিচার করবে না — বরং সাহায্য করবে। একা সমস্যা মোকাবেলা করার চেয়ে পরিবারের সাথে মোকাবেলা করা অনেক সহজ।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিন। গেমিং আসক্তি একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। সঠিক থেরাপি ও সাপোর্টে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব।
Criex কখনো ১৮ বছরের কম বয়সীদের গেমিং সুযোগ দেয় না। কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া সবসময় চলমান।
আমরা নিয়মিত দায়িত্বশীল গেমিং সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করি।
আমাদের সব সাপোর্ট কর্মী দায়িত্বশীল গেমিং সহায়তায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।
সুরক্ষামূলক সব টুলস বিনামূল্যে ও যেকোনো সময় ব্যবহার করা যাবে।
Criex কখনো বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দেয় না। সব অফারে শর্তাবলী স্পষ্টভাবে লেখা থাকে।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের অঙ্গীকার মেনে Criex-এর পরিবারে যোগ দিন। আমরা শুধু বিনোদন দিই না — আপনার সুরক্ষাও নিশ্চিত করি।